Honey, মধু

বিশ্বের প্রাচীনতম মধু কোথায় পাওয়া গিয়েছিল ?

পৃথিবীর প্রাচীন তম মধু কোথায় পাওয়া গিয়েছিল ?  মধু বিষয়ে যারা টুকটাক খবর রাখেন তাদের অনেকেই বলবেন যে মিশরের পিরামিডে । কিন্তু এর থেকেও অনেক পুরাতন মধু গবেষক দল খুজে পেয়েছে যা এখনো খাওয়ার উপযুক্ত ।

বিশ্বের প্রাচীনতম মধুর সন্ধান 2019 সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিশ্বের তিনটি প্রাচীনতম মধুর অনুসন্ধান করা হয়েছিল।

এই মধুগুলি কিন্তু এখনও খাওয়ার উপযুক্ত কারণ অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল মধু কখনই খারাপ হয় না৷

মধু সংগ্রহের জন্য যেসব তথ্য পাওয়া যায় সেগুলো স্পেনের ভ্যালেন্সিয়ায় পাওয়া যায় ৮,০০০ বছরের প্রাচীন আরানা গুহা চিত্র থেকে । অনেকে মনে করেন যে বিশ্বের প্রাচীনতম মধুটি মিশরের রাজা তুতের সমাধিতে পাওয়া গেছে।

আসলে কিন্তু তা নয়।মধু দিয়ে প্রাচীন মিশরে পূজা করা হত, এবং একটি মিশরীয় সমাধিতে প্রথমে এই মধু পাওয়া গিয়েছিল।তারপর 3,000 বছরের পরে সেই মধু মৃত রাজা তুতের সমাধিতে রাখা হয়েছিলএবং এটা মনে করা হয় এতে রাজার পরকালের স্বর্গীয় যাত্রা শুভ হবে।

তার শত শত বছর আগে, আনুমানিক 2400 খ্রিস্টপূর্বাব্দে, প্রাচীন মিশরীয়রা মৌমাছি পালনের হায়ারোগ্লিফিক্সে করেছিল যার মাধ্যমে বুঝা যায় যে হাজার হাজার বছর আগে মিশরে জীবনের একটি কেন্দ্রীয় অংশ ছিল মধু।

তার অনেক আগে, প্রায় 4300 খ্রিস্টপূর্বাব্দে ককেসে, জর্জিয়া প্রজাতন্ত্রের গভীরে, একটি প্রত্নতাত্ত্বিক সমাধিস্থল পাওয়া গিয়েছিল।

সমাধিটি ছিল একজন নেতার এবং তার সাথে আরও অনেক লোককে কবর দেওয়া হয়েছিল। যে সমাধীতে মৃতদের জন্য বন্য বেরি ফল অঞ্জলি হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। এই বেরিগুলো 4,300 বছর পরেও লাল ছিল এবং ভালভাবে সংরক্ষিত ছিল, কারণ তারা প্রাচীন মধু দিয়ে সংরক্ষিত ছিল । এমনকি তাদের স্বাদ তখনও মিষ্টি এবং ঘ্রাণ তীব্র ছিল ।

পরবর্তীতে আরও কিছু মূল্যবান সমাধিস্থ বস্তু সমাহিত করা হয়েছিল সেখানে। এগুলিকেও মধু দিয়ে ভালভাবে সুগন্ধিযুক্ত করা হয়েছিল। তাই এগুলো ভালভাবে সংরক্ষিত ছিল। 2012 সালে, একটা প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়েছিল যে তেল পাইপলাইন নির্মাণের সময় 2003 সালে জর্জিয়া দেশে তিবলিসির পশ্চিমে বিশ্বের প্রাচীনতম মধু আবিষ্কৃত হয়েছিল। প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনুমান এটি প্রায় 5,500 বছর আগের মধু। তিন ধরনের মধু পাওয়া গেছে – মেডো ফুল, বেরি এবং লিন্ডেন। অনেকটা প্রাচীন মিশরের মতোই, মধুগুলি একজন সম্ভ্রান্ত মহিলার সমাধিতে পাওয়া যায়।এগুলো সিরামিকের পাত্রে ছিল যাতে তার পরবর্তী জীবন শুভ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *