Honey, Organic, মধু

মধু কেন জমে যায় ? খাঁটি মধু কি জমে ?

মধু স্ফটিককরণ / জমে যাওয়া একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া যা সব ধরণের মধুতে ঘটে । এবং এটি একটি দুর্দান্ত সূচক যেটা প্রমান করে যে মধুটি অপরিশোধিত, প্রাকৃতিক এবং কাঁচা / Raw ।

প্রকিতপক্ষে মধু দুটি প্রাকৃতিকভাবে উৎপন্ন শর্করার সমন্বয়ে গঠিত: ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ ফ্রুক্টোজ মিষ্টি স্বাদের জন্য দায়ী এবং এটি জলে দ্রবণীয়, যখন সুক্রোজ কম জলে দ্রবণীয় এবং স্ফটিক গঠনের জন্য দায়ী

মধু গঠন প্রক্রিয়ায় প্রাকিতিক ২ টি উপাদান ঃ ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ। ফ্রুক্টোজ এবং গ্লুকোজ এর সমন্বয়ে মধুর মিষ্টতা নির্ভর করে । এটি প্রাকিতিক প্রতিটা মধুতেই ঘটে থাকে কিছু মধুর ক্ষেত্রে দ্রুত, কিছু মধুর ক্ষেত্রে ২-৩ বছর ও সময় লেগে যায় ।

উদাহরণস্বরূপ : Acacia মধু, সুন্দরবনের মধু যেটিতে খুব কম গ্লুকোজের পরিমাণ রয়েছে তা স্ফটিক গঠন শুরু করতে কখনও কখনও দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত সময় নিতে পারে , প্রসেস করে আদ্রতা কমিয়ে ফেললে এসব মধু ও কিছুটা আগে জমে যাবে । আবার ক্যানোলা বা সূর্যমুখী মধু যা অনেক দ্রুত স্ফটিক হয়ে যায় এবং এমনকি কম তাপ মাত্রায় চাকের মদ্ধেও স্ফটিক গঠন শুরু করতে পারে । আমদের দেশের শীতের সময়ের মধু বিশেষ করে সরিষা ফুলের মধু বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য ।

খাঁটি মধু কখনই নষ্ট হয় না তাই আপনাকে কখনই ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিৎ নয় । প্রকৃতপক্ষে, মধু দ্রুত স্ফটিক / জমে যাবে যদি এটি 50 ডিগ্রি ফারেনহাইটের নিচে থাকে, যা 10 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় থাকে ।

তাই আপনি যদি আপনার মধু তরল বেশিক্ষণ রাখতে চান তবে আপনি এটি ঘরের তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন । আপনি যদি আপনার মধুর তরল পছন্দ করেন তবে আপনি সর্বদা এটিকে ডিক্রিস্টালাইজ করতে পারেন, তবে এটার তাপমাত্রায় এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। মধুতে সমস্ত মূল্যবান পুষ্টি রাখার জন্য এটিকে 104 ফারেনহাইট বা 40 সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রায় ডিক্রিস্টালাইজ করার পরামর্শ দেওয়া হয় । আপনি মধু প্রসেস করলেও উচ্চ গ্লুকোজ যুক্ত মধু যেমন সূর্যমুখী, ক্যানোলা , সরিষা তারা মাত্র এক বা দুই সপ্তাহের মধ্যে পুনরায় ক্রিস্টালাইজ / জমে যেতে পারে ।

আমাদের মধু কাঁচা এবং অপরিশোধিত যা সমস্ত স্বাস্থ্যকর এনজাইম, খনিজ, ভিটামিন, পুষ্টিগুন এবং পরাগ রেনু অক্ষত রাখে এক কথায় RAW Honey । মধুতে উচ্চ পরাগ থাকা খুব ভাল কারণ এটি ভিটামিন এবং প্রোটিনের একটি দুর্দান্ত উৎস ।

কিন্তু এটি মধু জমে যাওয়ার জন্য একটি সূচনা বিন্দু হিসাবে কাজ করে । তাই পরাগ যত বেশি হবে, মধু তত দ্রুত জমে যাওয়া বা স্ফটিক হতে চলেছে । মধু যত দ্রুত যমে যায়, স্ফটিকের গঠন তত সূক্ষ্ম হয় হবে ।

এই কারণেই অনেকেই যমে যাওয়া মধুর জন্য ক্যানোলা মধু , সরিষা মধু ব্যবহার করতে পছন্দ করে যা চিনাবাদামের মাখনের মতো ছড়িয়ে পড়ে ।

আমরা আমাদের Testy খাবারের জন্য ক্রিস্টালাইজড মধু ব্যবহার করতে চাই কারণ এটি আদা বা হলুদের মতো মশলাগুলিকে আরও সমানভাবে বিতরণ করে

কোন মধু তে যদি দেখেন ১ বা ২ বছরেও যমে যায় নাই সে ক্ষেত্রে সন্দেহজনক ব্যাপারটা ঃ সম্ভবত সমস্ত পরাগ ফিল্টার করা হয়েছে অথবা মধু অতিরিক্ত গরম ( প্রসেস )করা হয়েছে, যা মধুর প্রাকৃতিক স্বাস্থ্য উপকারিতা নষ্ট করে ফেলেছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *